বড়পর্দার পাশাপাশি বিশেষ দিনগুলোতে ছোটপর্দাতেও দেখা যায় জনপ্রিয় নায়িকা নিপুণকে। অভিনয়ের ক্যারিয়ারে স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ নানা রকম প্রশংসা ও সম্মাননা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রিয় নায়িকা নিপুণ আক্তারের জন্মদিন শুক্রবার।
নিজের জীবনের বিশেষ এই দিনটি উদযাপন মালদ্বীপে গেছেন নিপুণ। যেখানে তার সঙ্গে রয়েছেন ‘বিশেষ’ একজন মানুষ। আমেরিকা থেকে এসে ‘বিশেষ’ সেই মানুষটি তাকে মালদ্বীপে নিয়ে গেছেন জন্মদিন পালনে। এই ভ্রমণের অর্ধেক খরচও তিনিই বহন করছেন বলে জানিয়েছেন এই নায়িকা।
আর এই বিশেষ মানুষটি হচ্ছেন নিপুনের একমাত্র মেয়ে তানিশা। আমেরিকার লস এঞ্জেলসের ইউসিএলএ ইউনিভার্সিটিতে সাইকোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করছে মেয়েটি।
নিপুণ জানালেন- মে মাসে ছুটি কাটাতে বাংলাদেশে এসেছে তানিশা। দেশে এসেই সে জানায়- আমার জন্মদিন মালদ্বীপে উদযাপন করতে চায়। গত ৭ জুন দু’জনে এখানে এসেছি। ১১ জুন দেশে ফিরবো। মালদ্বীপে মেয়ের সঙ্গে সময়টা বেশ ভালো কাটছে বলেও জানান এই নায়িকা।
১৯৮৪ সালের ৯ জুন কুমিল্লার জালগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন নিপুণ। ১৯৯৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর রাশিয়ায় চলে যান তিনি। ২০০৪ সাল পর্যন্ত মস্কোতে পড়ালেখা করেন। এরপর চলে যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে পড়ালেখা শেষ করে দেশে ফিরে আসেন ২০০৬ সালে। আর ওই বছরই ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এই অভিনেত্রীর।
২০০৬ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পরিচালনায় ‘সাজঘর’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন নিপুণ। পরে ২০০৮ সালে মুহম্মদ হান্নানের পরিচালনায় ‘চাঁদের মতো বউ’ সিনেমায় নায়ক রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন তিনি।
জন্মদিন পালনে ‘বিশেষ’ একজন মানুষের সঙ্গে মালদ্বীপে নিপুন
বড়পর্দার পাশাপাশি বিশেষ দিনগুলোতে ছোটপর্দাতেও দেখা যায় জনপ্রিয় নায়িকা নিপুণকে। অভিনয়ের ক্যারিয়ারে স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ নানা রকম প্রশংসা ও সম্মাননা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রিয় নায়িকা নিপুণ আক্তারের জন্মদিন শুক্রবার।
নিজের জীবনের বিশেষ এই দিনটি উদযাপন মালদ্বীপে গেছেন নিপুণ। যেখানে তার সঙ্গে রয়েছেন ‘বিশেষ’ একজন মানুষ। আমেরিকা থেকে এসে ‘বিশেষ’ সেই মানুষটি তাকে মালদ্বীপে নিয়ে গেছেন জন্মদিন পালনে। এই ভ্রমণের অর্ধেক খরচও তিনিই বহন করছেন বলে জানিয়েছেন এই নায়িকা।
আর এই বিশেষ মানুষটি হচ্ছেন নিপুনের একমাত্র মেয়ে তানিশা। আমেরিকার লস এঞ্জেলসের ইউসিএলএ ইউনিভার্সিটিতে সাইকোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করছে মেয়েটি।
নিপুণ জানালেন- মে মাসে ছুটি কাটাতে বাংলাদেশে এসেছে তানিশা। দেশে এসেই সে জানায়- আমার জন্মদিন মালদ্বীপে উদযাপন করতে চায়। গত ৭ জুন দু’জনে এখানে এসেছি। ১১ জুন দেশে ফিরবো। মালদ্বীপে মেয়ের সঙ্গে সময়টা বেশ ভালো কাটছে বলেও জানান এই নায়িকা।
১৯৮৪ সালের ৯ জুন কুমিল্লার জালগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন নিপুণ। ১৯৯৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর রাশিয়ায় চলে যান তিনি। ২০০৪ সাল পর্যন্ত মস্কোতে পড়ালেখা করেন। এরপর চলে যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে পড়ালেখা শেষ করে দেশে ফিরে আসেন ২০০৬ সালে। আর ওই বছরই ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এই অভিনেত্রীর।
২০০৬ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের পরিচালনায় ‘সাজঘর’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন নিপুণ। পরে ২০০৮ সালে মুহম্মদ হান্নানের পরিচালনায় ‘চাঁদের মতো বউ’ সিনেমায় নায়ক রিয়াজের বিপরীতে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ জাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক
আলহাজ্ব শেখ সিদ্দিকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
তাকছিমুন নাহার
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার কে এম মেহেদী হাসান
|
মোবাইল: ০১৭১১২৪৯৭৭০
হোয়াটস্অ্যাপ: ০১৭১১২৪৯৭৭০
প্রধান কার্যালয় মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
Email: deshpatrika24@gmail.com |
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: September 9, 2026, 11:34 am